,

ThemesBazar.Com

Search

নামাজ অাদায় করার পদ্ধতি

Share

নামাজ অাদায় করার পদ্ধতি:
প্রিয় ইসলামি ভাই-বোনেরা! নামাজ প্রত্যেক মসলমান নর-নারীর জন্য অাদায় করা ফরজ। অার ফরজ অাদায় করার জন্য অামাদের অবশ্যই যথেষ্ট জ্ঞান থাকতে হবে। তাই অাসুন ভাল ভাল নিয়ত সহকারে অাজকে নামাজের কিছু মাসয়ালা-মাসায়েল সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করি।

নামাজ সম্পর্কে পবিত্র কোরঅানের “সুরা মুনাফিকুন” এর ০৯ নং অায়াতে রয়েছে;
কানযুল ঈমান থেকে অনুবাদ

হে ঈমানদারগণ! তোমাদের ধন-সম্পদ, না তোমাদের সন্তান-সন্তুতি কোন কিছুই যেন তোমাদের অাল্লাহর যিকির থেকে উদাসীন না করে; এবং যে কেউ তেমন করে তবে ঐ সমস্ত লোক ক্ষতির মধ্যে রয়েছে।

এই অায়াত দ্বারা বুঝা যায় যে, অাল্লাহ তায়ালা অামাদেরকে দুনিয়ার সকল ধরনের কাজ থেকে মুক্ত হয়ে নামাজের সময় নামাজ পড়ার জন্য অাদেশ করেছেন।  তাই অামাদেরকে অবশ্যই নামাজ পড়তে হবে। এবয কাল কিয়ামতের দিন অামরা এি কথা বলতে পারব না; মাওলা! অামরা দুনিয়াবি কাজে ব্যস্ত থাকার কারণে অাপনার ইবাদত করতে পারি নাই। তাই একজন মুসলমান হিসেবে এখন থেকে অামাদের কে সাবধান হতে হবে।

হাশরের ময়দানের সর্ব প্রথম প্রশ্ন:
হুযুর সাল্লাল্লাহু অালাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: “কিয়ামতের দিন বান্দার অামল সমূহের মধ্যে সর্বপ্রথম নামাযের ব্যাপারে প্রশ্ন করা হবে। যদি সেটার উত্তর সঠিকভাবে দিতে সক্ষম হয় তবে সে সফলকাম হয়ে গেলো অার যদি এতে ঘাটতি হয় তাহলে সে অপদস্ত হলো এবং সে ক্ষতিগ্রস্ত হলো।”  (কানযুল উম্মাহ, ৭ম খন্ড, ১১৫ পৃষ্ঠা,  হাদীস নং ১৮৮৮৩)
[5/24, 1:12 AM] muhammadsaifur25: নামাজ মুক্তি লাভের উপায় হবে।

নবী করিম, রউপুর রহীম হযুর সাল্লাল্লাহু অালাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, “যে ব্যক্তি নামাজের হিফাজত করবে,  নামাজ তার জন্য কিয়ামতের দিন নূর, দলীল ও নাজাত (বা মুক্তি লাভের কারণ) হবে। অার যে ব্যক্তি এর হিফাজত করবে না, তার জন্য কিয়ামতের দিন না নূর হবে, না দলীল, না নাজাত হবে। অার ঐ কিয়ামতের দিন ফিরাউন, কারুন, হামান এবং উবাই ইবনে খালাফের সঙ্গী হবে।” (মাজমাউয যাওয়াহিদ, ২য় খন্ড, হাদীস নং- ১৬১১)

একটি বার চিন্তা করুন নামাজ না পড়ার কারণে বড় বড় কাফিরদের সাথে কিয়ামতের ড়িন দাড়াতে হবে, তাদের সাথে উঠানো হবে অার না পড়ার কারণে শাস্তি ত অাছেই। তাহলে অামরা কেন নামাজে অবহেলা করি।

সাহাবাহে কেরামের নামাজের প্রতি অাগ্রহ:
কিতাবে অাছে যখন হযরত ওমর ফারুকে অাযমকে শহিদ করার জন্য লোকেরা তাঁর উপর হামলা করছিল।  তখন অারয করা হলো: ” হে অামিরুল মুমিনীন!  নামাজ (এর সময় হয়েছে); তিনি বললেন: জ্বি হ্যাঁ, শুনে নিন! যে ব্যক্তি নামাযকে নষ্ট করে তার জন্য ইসলামে কোন অংশ নেই।” অার হযরত সায়্যিদুনা ওমর ফারুক রাদিঅাল্লাহু তায়ালা অানহু প্রচন্ড অাহত হওয়া সত্ত্বেও নামাজ অাদায় করেন।
[5/24, 2:57 PM] muhammadsaifur25: রুকু, সাজদা ও কিরাত যথাযথভাবে অাদায় করার ফজিলত ও না করার ক্ষতি:

হযরত সায়্যিদুনা উবাদা ইবনে সামিত রাদিঅাল্লাহু তায়ালা অানহু হতে বর্ণিত যে, নবিয়্যে রহমত, শাফিয়ে উম্মত সাল্লাল্লাহু অালাইহি ওয়াসাল্লাম এর মহান ফরমান হচ্ছে, “যে ব্যক্তি উত্তমরুপে ওযু করে অতঃপর নামাজের জন্য দন্ডায়মান হয়, এরপর রুকু, সাজদা ও কিরাত যথাযথভাবে অাদায় করে, তখন নামায তাকে বলে থাকে, “অাল্লাহ তায়ালা তোমার হিফাযত করুক, যেভাবে তুমি অামাকে হিফাজত করেছ।” অতঃপর এ নামাজকে অাসমানের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় এ নামাজ অালোকোজ্জ্বল হয়ে চমকাতে থাকে, সেটার জন্য বারগাহে পেশ করা হয়। তথায় ঐ নামায ঐ নামাজীর জন্য সুপারিশ করতে থাকে।
অার যদি সে (নামাজী( সেটার রুকু, সাজদা এবং কিরাত যথাযথভাবে অাদায় না করে, তবে ঐ নামাজ তাকে বলে, “অাল্লাহ তায়ালা তোমাকে ছেড়ে দিক যেভাবে তুমি অামাকে নষ্ট করেছ।” অতঃপর এ নামাযকেও অাসমানের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়, অার এ সময় সেটার উপর অন্ধকার ছেয়ে যায়, সেটার জন্য অাসমানের দরজা বন্ধ করে দেয়া হয়।  অতঃপর সেটাকে পুরনো কাপড়ের মত ভাজ করে ঐ নামাজীর মুখের উপর নিক্ষপ করা হয়।” (কানযুল উম্মাহ, খন্ড-৭ম, পৃ-১২৯, হাদীস  নং ১৯০৪৯)

নামাজ চোর:
হযরত সায়্যিদুনা অাবু কাতাদা রাদিঅাল্লাহু তায়ালা অানহু থেকে বর্ণিত,  হুজুর সাল্লাল্লাহু অালাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন: “মানুষের মাঝে সবচাইতে নিকৃষ্ট চোর হচ্ছে ঐ ব্যক্তি, যে নামাজের মধ্যে চুরি করে। ” অারয করা হলল, “ইয়া রসূলাল্লাহ!  নামাজ চোর কে? ” বললের, “(ঐ ব্যক্তি যে নামাজের)  রুকু, সাজদা পরিপূর্ণভাবে অাদায় হরে না।”
(মুসনাদে ইমাম অাহমদ ইবনে হাম্বল, খন্ড-৮ম, পৃ-৩৮৬, হাদীস-২২৭০৫, দারুল ফিকর, বৈরুত)

ThemesBazar.Com

     আরো জানুন